তাওহীদের মূল শিক্ষা ও শিরকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা মানবজাতি সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে ইরশাদ করেন: "আমি জিন এবং মানুষকে কেবল আমারই ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছি।" (সূরা আয-যারিয়াত: ৫৬)।
ইবাদতের এই মৌলিক ভিত্তির নামই তাওহীদ। তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ, তাওহীদুল রুবুবিয়্যাহ এবং তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত—এই তিনটির যথাযথ অনুধাবন ও বাস্তবায়ন ছাড়া একজন মানুষ পূর্ণাঙ্গ মুসলিম হতে পারে না।
শিরকের ভয়াবহতা: আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, "নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না, এ ছাড়া অন্য যে কোনো গুনাহ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন।" (সূরা আন-নিসা: ৪৮)।
বর্তমানে সমাজে মাজার পূজা, পীর পূজা, গায়েবী শক্তির বিশ্বাস এবং জ্যোতিষশাস্ত্রের মতো মারাত্মক শিরকী কর্মকাণ্ড বিস্তার লাভ করছে। আহলেহাদীছ আন্দোলন মেহেরপুর জেলা শাখা সর্বদা দাওয়াত ও তাবলীগী আলোচনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে শিরকমুক্ত ঈমানের দিকে আহ্বান জানাচ্ছে।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন: "যে ব্যক্তি সৎকাজের পথ দেখায়, সে ঐ কাজ সম্পাদনকারীর সমান সওয়াব লাভ করে।" (সহীহ মুসলিম)
ড. আহমাদুল্লাহ ফারুক
সহ-সভাপতি, আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ, মেহেরপুর জেলা
আহলেহাদীছ আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনসমূহ, মেহেরপুর জেলার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক ও দাওয়াতী কার্যক্রমের একনিষ্ঠ কর্মী ও গবেষক।